প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর গুলি চালানোর ঘটনার পর লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গ্যাংটির সদস্য পরিচয় দেওয়া দুই ব্যক্তি এই ঘটনার দায় স্বীকার করে সালমান খানের সাথে কাজ করা ব্যক্তিদেরও হুমকি প্রদান করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টে অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু নামের দুই ব্যক্তি হামলার দায় নিজেদের বলে দাবি করেন। তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে, টাইগার শ্রফকে আগে থেকেই ফোন করে সতর্ক করা হয়েছিল। তবে সেই সতর্কবার্তা গুরুত্ব না দেওয়ায় তাঁকে লক্ষ্য করে এই হামলা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
একই পোস্টে হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যান্য সদস্যদেরও সতর্ক করে বলা হয়েছে, যারা তাদের নির্দেশ অমান্য করবে কিংবা সালমান খানের সাথে কাজ করবে, তাদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে। এমনকি, এ ঘটনার দায় স্বীকার করতে পারে এমন প্রতিদ্বন্দ্বী অপরাধী গোষ্ঠীগুলোকেও হুঁশিয়ারি প্রদান করা হয়েছে।
ঘটনার পর মুম্বাই পুলিশ তদন্তের কাজ জোরদার করেছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা এবং হামলার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখতে ১২টি বিশেষ দল কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দায় স্বীকারের পোস্টটির সত্যতাও যাচাই করছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
সালমান খান ও লরেন্স বিষ্ণোইয়ের বিরোধের সূত্রপাত ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে এই হরিণ পবিত্র বলে বিবেচিত। পরবর্তী সময়ে সালমানকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ২০২৪ সালে সালমানের বাসভবন লক্ষ্য করে গুলি এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ বাবা সিদ্দিকিকে হত্যার মতো ঘটনায় উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।
সালমানের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হুমকির ঘটনায় বলিউডের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। তবে টাইগার শ্রফকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনার পূর্ণ বিবরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া হুমকির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া বাকি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন