প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত সমর্থন কামনা করেছে। একইসাথে, শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তাসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদস্য দেশগুলোকে সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ কার্যকর করার পাশাপাশি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টিগুয়ায় (এইউএ) অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের (সিএফএএমএম) রিট্রিট অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন হুমায়ুন কবির।
বক্তব্যের সময় ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ক্রমবর্ধমান জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে নতুন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
এছাড়া, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত সমর্থন প্রয়োজন।
১ থেকে ৪ নভেম্বর অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে (সিএইচওজিএম) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির দেশটি সফর করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন