প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা দাবি এবং প্রতিবাদ করায় এক সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) হরষপুর ও আখাউড়া রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ট্রেনে থাকা দুইজন হিজড়া বিভিন্ন বগিতে ঘুরে সাধারণ যাত্রীদের কাছে জোরপূর্বক টাকা দাবি করছিলেন। কয়েকজন যাত্রী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।
এ সময় ট্রেনে থাকা সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিন এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ট্রেনে দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ এসে তাদের সতর্ক করে দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ চলে যাওয়ার পর ওই দুই ব্যক্তি সাংবাদিক মোঃ শরীফ উদ্দিনকে আখাউড়া স্টেশনে পৌঁছালে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। এমনকি ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিস্থিতির প্রমাণ রাখতে সাংবাদিক মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করলে অভিযুক্তরা উত্তেজিত হয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য ভিডিওতে ধারণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে বিষয়টি আবার ট্রেনে দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে পুলিশ সদস্য মনিরুল ইসলাম-কে জানানো হলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে তাদের খোঁজ করেন। তবে ততক্ষণে অভিযুক্তরা ট্রেন থেকে সরে যান বলে জানান তিনি।
রেলওয়ে পুলিশ সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, "যাত্রীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করি। ট্রেনে জোরপূর্বক টাকা আদায় বা যাত্রীদের হয়রানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা অল্পসংখ্যক সদস্য পুরো ট্রেনে দায়িত্ব পালন করি, তাই সব বগিতে সবসময় উপস্থিত থাকা সম্ভব হয় না। তবে অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।"
ভুক্তভোগী যাত্রীরা বলেন, ট্রেনে কিছু ব্যক্তি নিয়মিত জোরপূর্বক টাকা আদায় করে সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি করেন। তারা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও সরকারের কাছে এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন