প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন অর্থবছরের বাজেটকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ, অবাস্তবায়নযোগ্য উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হবে ব্যাংকিং খাত।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করেন।
নাজিবুর রহমান বলেন, ‘সংসদে জনগণের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছি। গণবিরোধী বিষয়ে বলেছি। কালো টাকা সাদা করা বাদ দিতে বেশকিছু ন্যায্য দাবি সরকার মেনে নিয়েছে।’
জামায়াত অর্থবিলে তাদের বিরোধী অবস্থান সম্পর্কে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশকে যেভাবে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, সিআরপিসি ২৫৩ ধারা অনুযায়ী.... স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ ব্যাপারে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।’
এবারের বাজেটকে তিনি অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ এবং অবাস্তবায়নযোগ্য বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংস্কার কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দিয়েছি কিন্তু এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাইনি। জুলাই নিয়ে কাজ করার জন্য আলাদা বাজেট রাখা হয়নি। বাজেট বাস্তবায়নে প্রধান বাধা হবে ব্যাংকিং খাত।’
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী ১১ জুন। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বড়।
বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি মোকাবিলায় দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। একই সময় বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করা হবে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা। ফলে নিট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের, যার মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নেয়া হবে। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা সঞ্চয়পত্র এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে। আগের অর্থবছরে ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা, ফলে নতুন অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার কোটি টাকা কমেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন