প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুনভাবে ৮০টি লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে ৩০টি লোকোমোটিভ ক্রয়ের প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিধি অনুযায়ী দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এসব লোকোমোটিভ ক্রয় করা হবে। তিনি জানান, এগুলো দেশে পৌঁছাতে আরও দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগতে পারে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন লোকোমোটিভ সংগ্রহের পাশাপাশি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। দ্রুততম সময়ে এসব লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা গেলে রেলওয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।
রেলওয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, বিগত সরকার ১৮ বছরে রেল খাতে ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে। কিন্তু এ সময়ে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। অপচয়, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও লুটপাটের কারণে রেলওয়ের যে অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে রেলওয়ে পিছিয়ে পড়েছে এবং কোথাও কোথাও রেলসম্পদ ধ্বংস হয়েছে।
তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে রেলসেবার মানের প্রত্যাশিত পরিবর্তন হয়নি। গত ১৮ বছরে রেলওয়ে বিভাগের যথাযথ তদারকির অভাব ছিল। বর্তমান সরকার এ অবস্থা থেকে উত্তরণের চেষ্টা করছে। তবে রেলওয়ের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও যাত্রীদের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করতে কিছুটা সময় লাগবে। রেলওয়ের সেবার মান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সক্রিয় রয়েছেন।
রেল যোগাযোগকে আরও যাত্রীবান্ধব করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে রেলওয়ে বিভাগকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রেলভিত্তিক যাত্রী পরিবহন সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে রেল যোগাযোগের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে সকালে ঢাকায় এসে রাতে ফিরে যাওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করছে। যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করা এবং রেলসেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে রেলওয়েকে আরও জনবান্ধব করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলামসহ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন