প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাঠে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তবে মাঠের বাইরের বন্ধুত্বের সম্পর্কটি এখনও অটুট রয়েছে। এই সম্পর্কের একটি নতুন উদাহরণ দেখা গেল গত রাতে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগে করিন্থিয়ান্স ও সান্তোসের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে।
করিন্থিয়ান্সের ডাচ তারকা মেম্ফিস ডিপাইয়ের কাছ থেকে নেইমার তার হেডব্যান্ডটি চেয়ে নেন। সেটি পরে খেলেন সান্তোসের অধিনায়ক।
ম্যাচ শেষে নেইমার জানান, তিনি ডিপাইকে সম্মান জানাতে এই হেডব্যান্ডটি ব্যবহার করেছেন।
নেইমারের ভাষায়, “এটা মেম্ফিসের জন্যই। গত বছর সে আমাকে যে হেডব্যান্ড উপহার দিয়েছিল, সেটির কথা ভুলেই গিয়েছিলাম। এবার তার কাছে আরেকটি (হেডব্যান্ড) চেয়েছি। মৌসুমের বাকি সময় আমি এটি পরেই খেলব।”
এরপর ডিপাইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কটাও পরিষ্কার করে দিয়েছেন নেইমার।
তিনি বলেছেন, “আমরা মাঠে একে-অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী, কিন্তু মাঠের বাইরে বন্ধু।”
করিন্থিয়ান্সের মাঠ নিও কিমিকা অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে নেইমারই শেষ হাসি হাসেন। তার দল সান্তোস ১-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। জয়ের একমাত্র গোলে নেইমারেরও অবদান রয়েছে।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে নেইমারের নেওয়া ফ্রি-কিকে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
ফিরতি বলে সহজেই বল জালে জড়ান ক্রিস্টিয়ান অলিভা। শেষ পর্যন্ত সেটিই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
নেইমার ও ডিপাইয়ের বন্ধুত্ব বেশ পুরোনো। ফুটবল মাঠে দুই তারকা ভিন্ন দলের হয়ে লড়াই করলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের উপর তার কোনো প্রভাব পড়েনি। বরং প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও একে-অপরের প্রতি সম্মান দেখানোর উদাহরণ হয়ে উঠেছেন তারা। তাদের মধ্যে নিয়মিতই ফোনে যোগাযোগ হয়।
বার্সেলোনা, পিএসজি, আল হিলাল হয়ে গত বছর শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরেছেন নেইমার। ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি আছে এ বছরের শেষ দিন পর্যন্ত। তত দিন পর্যন্ত ডিপাইয়ের দেওয়া হেডব্যান্ড পরে খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
ডিপাই আতলেতিকো মাদ্রিদ ছেড়ে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব করিন্থিয়ান্সে যোগ দেন ২০২৪ সালে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন