প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস ছয় ম্যাচে ৩২৫ মিনিট মাঠে থেকে সাত গোল করেছেন; মার্শেইয়ের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে গোল করে পিএসজিকে জয় এনে দিয়েছেন।
প্যারিস সাঁ জার্মাঁতে যোগ দেওয়ার পর থেকে গোলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন ফেরান তোরেস। ২০২৬-২৭ মৌসুমে, তিনি ছয় ম্যাচে মাত্র ৩২৫ মিনিট খেলে সাত গোল করেছেন। এর মানে প্রতি ৪৬.৪ মিনিটে তিনি একটি করে গোল করেছেন।
তোরেসের সাত গোলের মধ্যে রেনের বিপক্ষে দুটি, স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে তিনটি, ব্রেস্টের বিপক্ষে একটি এবং সর্বশেষ মার্শেইয়ের বিপক্ষে একটি রয়েছে। স্লোভানের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে তিনি হ্যাটট্রিক করেছেন এবং ব্রেস্ট ও মার্শেইয়ের বিপক্ষে টানা গোল করেছেন।
একটি চমকপ্রদ বিষয় হলো, তোরেস ছয় ম্যাচের মধ্যে সবগুলোতে শুরু থেকে খেলেননি। তিনি তিনবার শুরু করে মোট ৩২৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে সাত গোল করার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি গোলের জন্য তার সময় লাগে মাত্র ৪৬.৪ মিনিট।
পিএসজির হয়ে তোরেসের বর্তমান পরিসংখ্যান হলো: ৬ ম্যাচ | ৩২৫ মিনিট | ৭ গোল | প্রতি গোলে ৪৬.৪ মিনিট।
মার্শেইয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তোরেসের প্রভাব ছিল স্পষ্ট। প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকার পর, ম্যাচের ৫৯ মিনিটে খভিচা কাভারাত্সখেলিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। মাত্র সাত মিনিট পরেই গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে দেন।
৬৬ মিনিটে দেজিরে দুএর বাঁ দিক থেকে ভেতরে কাটা ক্রস প্রথম পোস্টে পেয়ে যান তোরেস। ছয় গজের কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান তিনি। পিএসজির হয়ে সেটিই ছিল তাঁর ম্যাচের একমাত্র শট, যা গোল হয়ে যায়।
তোরেসের গোলের পর ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তিত হয়। ৭২ মিনিটে আনহেল গোমেস মার্শেইকে সমতা ফেরান। কিন্তু দুই মিনিট পর মারকিনিওস আবার পিএসজিকে এগিয়ে দেন। শেষ দিকে তিমোথি ওয়েয়া দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে মার্শেই ১০ জনের দলে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত পিএসজি ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচে তোরেস শুধু গোলই করেননি, বদলি হিসেবে নেমে অল্প সময়ের মধ্যে ম্যাচের গতিপথ বদলে দিয়েছেন। পিএসজির অফিসিয়াল ম্যাচ রিপোর্টে তাঁকে ম্যাচসেরা নির্বাচিত করা হয়েছে।
এটি কোনো একক ম্যাচের পারফরম্যান্স নয়, বরং ছয় ম্যাচের মধ্যে তাঁর পাঁচটি গোল এসেছে শেষ তিন ম্যাচে—স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, ব্রেস্টের বিপক্ষে একটি এবং মার্শেইয়ের বিপক্ষে একটি।
বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে আসার পর তোরেসকে নিয়ে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার শুরুতেই জবাব দিচ্ছেন তিনি। মাত্র ৩২৫ মিনিটে সাত গোলের পরিসংখ্যান বলছে, পিএসজির আক্রমণভাগে নিয়মিত শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার দাবিটা ক্রমেই জোরালো করছেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন