প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, তেল-গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের সংকটের অজুহাতে দেশের বিভিন্ন শিল্প-কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার ফলে লাখো শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এর ফলে শ্রমিকদের পরিবার-পরিজনের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। একই সঙ্গে, দেশের শিল্প ও অর্থনীতির জন্য এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের শ্রম ও ঘামে শিল্প-কারখানা সচল থাকে এবং জাতীয় অর্থনীতি এগিয়ে যায়। কিন্তু জ্বালানি সংকট, গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেলে এর সবচেয়ে বড় আঘাত দেশের ওপর পড়বে। এতে দেশে বেকারত্ব ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে।
আজ শনিবার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।
বৈঠকে দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেছার আহমেদ বলেন, শিল্প-কারখানা বন্ধের আগে সরকারকে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ, শ্রমিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, অবিলম্বে শিল্প-কারখানাগুলো সচল রাখতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও বেতন-ভাতা সুরক্ষা এবং শিল্পখাতের দীর্ঘমেয়াদি সংকট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ সিদ্দিকুর রহমান, হারুন অর রশীদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম রফিকুল ইসলাম, ওবায়েদ বিন মোস্তফা, শাহ জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের জাতীয় কাউন্সিল ৯ অক্টোবর
অনুষ্ঠানে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল কে এম বিল্লাল হোসাইন শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, সংগঠনের জাতীয় কাউন্সিল আগামী ৯ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে।
কাউন্সিলে দেশের শ্রমিকদের অধিকার, কর্মসংস্থান, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা, শিল্প-কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি এবং শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক কল্যাণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি এসব বিষয়ে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন