প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সম্ভাব্য বিদায়ী টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে, প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে, উইসার সমতা ফেরানো গোলে সমতায় ফিরে আসে ডিআর কঙ্গো। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আর্থুর মুসুয়াকুর ক্রসে কঙ্গোকে সমতায় ফেরান ইয়োনে উইসা। তার নেওয়া হেডের বলটি ঠেকানোর কোনো উপায়ই ছিল না পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তার।
কিক-অফের পর থেকেই পর্তুগিজদের ব্যতিব্যস্ত রাখতে কঙ্গো একের পর এক আক্রমণ চালায়, আর এই গোলের মাধ্যমে তারা বিশ্বমঞ্চে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করে। এটি ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে ডিআর কঙ্গোর ফুটবল দলের করা সর্বপ্রথম গোল।
এর আগে, ম্যাচের শুরুতেই দুর্দান্ত শুরুতে ম্যাচের ৬ মিনিটের মাথায় ১-০ গোলে এগিয়ে যায় দলটি। ডান প্রান্তে একটি ক্রস-ফিল্ড পাস পেয়ে ফুল-ব্যাক হোয়াও ক্যানসালো নিচু করে বক্সের সামনে বিপজ্জনক বল পাঠান। ডিআর কঙ্গো সেটি আংশিকভাবে ক্লিয়ার করতে সক্ষম হলেও বলটি আবার ফিরে আসে। বাম দিক থেকে পেদ্রো নিখুঁত একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। অবিশ্বাস্যভাবে মাঝখানে উঠে এসে জোয়াও নেভেস লুপিং হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। বলটি গোলপোস্টের ওপরের ডান কোণে গিয়ে ঢুকে পড়ে।
মাত্র ২১ বছর ২৬৩ দিন বয়সে শুরু করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ইতোমধ্যেই রেকর্ড গড়েছেন জোয়াও নেভেস। এবার তিনি বিশ্বকাপে পর্তুগালের তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও হয়ে গেলেন। এর আগে রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (২০০৬ সালে, ২১ বছর ১৩২ দিন) এবং গনসালো রামোস (২০২২ সালে, ২১ বছর ১৬৯ দিন)।
এরপর ১৮ মিনিটে দ্বিতীয় লিড নেওয়ার সুযোগ পায় পর্তুগাল। তবে বল পায়ে ক্ষিপ্রতায় প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকলেও, শেষ মুহূর্তে বলকে জালের পথ দেখাতে পারেননি নুনো মেন্ডেস। ফিরতি সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ, তবে তার নেওয়া বাঁ পায়ের শটটি বাইরে দিয়ে যায়।
বিশ্বকাপে পর্তুগালের ইতিহাসে সেরা সাফল্য ১৯৬৬ সালে তৃতীয় স্থান— ইউসেবিওর সেই কীর্তির পর ছয় দশক কেটে গেছে। নেশনস লিগ চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল এবার ফেভারিটদের তালিকায় রয়েছে, আর রোনালদোর জন্য এটাই তার ক্যারিয়ারের একমাত্র অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণের শেষ সুযোগ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন