প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তিগত এবং ব্যবস্থাপনাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে প্রদত্ত এক বাণীতে এ আহ্বান জানান।
প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছেন। তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের শিল্পভিত্তি আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে তিনি শ্রমজীবী মানুষ, উদ্যোক্তা, পেশাজীবী, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক এবং উৎপাদন ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানান। প্রেসিডেন্ট জানান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) উদ্যোগে দেশব্যাপী দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, উৎপাদনশীলতা একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।
বিজ্ঞান এবং তথ্যপ্রযুক্তির প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট বলেন, এই পরিস্থিতিতে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরও দক্ষ, উদ্ভাবনী এবং প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে। এ বছরের জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’ সময়োপযোগী এবং তাৎপর্যপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার, শিল্পোদ্যোক্তা, শ্রমিক, গবেষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন দেশের শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ এবং কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
আধুনিক প্রযুক্তি, টেকসই উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অধিক উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে নেওয়া সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্যও কামনা করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন