প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের গেবরিয়া-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস সরকারি কর্মঘণ্টার মধ্যে বন্ধ থাকার কারণে সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে অফিসের সামনে জমির পর্চা ও নামজারির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায় ১০-১২ জন সেবাপ্রার্থীকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের প্রধান ফটক ও মূল দরজা দুটিই তালাবদ্ধ। প্রয়োজনীয় সেবা নিতে আসা লোকজন দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করেও কাউকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
লক্ষ্মীপুর ভাটিপাড়া গ্রামের মাসুদ মিয়া জানান, তিনি জমির মাঠ পর্চা নিতে এসে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছেন। কিন্তু অফিসে কাউকে না পেয়ে তিনি সেবা পাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান রেখা, আছমা এবং ৬৫ বছর বয়সী আসাদ মিয়াসহ অন্যান্য সেবাপ্রার্থীরা।
অফিস বন্ধ রাখার বিষয়ে অফিস সহায়ক মো. রুকন উদ্দিন বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাকে উপজেলা ভূমি অফিসে ডেকে নেওয়ায় তিনি অফিসে তালা দিয়ে সেখানে গেছেন। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মনির উদ্দিন আহমাদও একই বক্তব্য দেন।
কিন্তু কুলিয়ারচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ এইচ এম ইজাজুল হক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মঘণ্টায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস তালাবদ্ধ রাখার কোনো বিধান নেই। তিনি বলেন, ওই সময় রুকন উদ্দিনকে উপজেলা ভূমি অফিসে দেখা গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদ জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বর্তমানে নিয়মিত নায়েব নেই। অতিরিক্ত দায়িত্বে একজন কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি দায়িত্ব পালন করলে অফিস খোলা থাকে। তবে অফিসে অফিস সহায়কও থাকার কথা। তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাবেন বলে জানান।
সরকারি ভূমি অফিসে সেবা নিতে এসে তালাবদ্ধ দরজার সামনে অপেক্ষা করতে হওয়ায় সেবাপ্রার্থীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, একজন কর্মচারীকে অন্য দপ্তরে ডাকা হলে সরকারি সেবাকেন্দ্র এভাবে বন্ধ থাকবে কেন? আর এতে সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি হচ্ছে, তার দায়ভার কে নেবে?
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন