প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভৈরবে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ এবং ক্ষোভ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা এবার সড়কে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বুধবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে জীদনি সায়হাম (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যুর পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর প্রশাসনের অবহেলা এবং মশক নিধনে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করেন।
জীদনি সায়হাম ভৈরবপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা জি এম ইস্পাহানি মিয়ার পুত্র। বুধবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। তিনি স্ত্রী এবং দুই পুত্রসন্তান রেখে গেছেন।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, জীদনি সায়হাম তিন দিন আগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন। তার রক্তের প্লাটিলেট দ্রুত কমতে থাকলে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে থেকে বুধবার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত হলে, দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ভৈরপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় ডেঙ্গুতে দুইজনের মৃত্যু হলো। এর আগে একই এলাকার সৈয়দ বানু (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
দুই মৃত্যুর পর ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দারা সড়কে অবস্থান নেন। তারা মশক নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের যথাযথ উদ্যোগের অভাবের অভিযোগ তুলে সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ করেন। এ কারণে সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেন।
স্থানীয়দের দাবি, ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আগেই নিয়মিত মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। অন্যথায় তারা আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন