প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের লবণাক্ততাপ্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থার রূপান্তর, ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত কর্মশালায় এক দশকের সমন্বিত গবেষণার চূড়ান্ত ফলাফল, অর্জিত অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
‘বাংলাদেশের লবণাক্ততা-প্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলে কৃষির রূপান্তর: শস্য বিন্যাস নিবিড়করণের ওপর এক দশকের সমন্বিত গবেষণা’ শীর্ষক কর্মশালাটি অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ(এসিআইএআর) এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন(কেজিএফ)-এতে অর্থায়ন করেন। এতে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিজ্ঞান ও গবেষণা সংস্থা (সিএসআইআরও) এবং মারডক ইউনিভার্সিটি গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল তুলে ধরেন।
গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় বাংলাদেশের উপকূলীয় বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলে পরিবর্তিত জলবায়ুর প্রেক্ষাপটে পানি ও মাটির লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জমির উৎপাদনশীলতা ও ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
২০১৫ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত পরিচালিত এ গবেষণায় বাংলাদেশের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) ও সুশীলন এবং ভারতীয় কৃষি গবেষকরা অংশ নেন।
ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির এবং কেজিএফ-এর নির্বাহী পরিচালক ড. নাথু রাম সরকার। এছড়াও অঈওঅজ-এর জবমরড়হধষ গধহধমবৎ–ঝড়ঁঃয অংরধ ড. প্রতিভা সিং, ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ সেবা) ড. আমিনুল ইসলাম, সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ও প্রধান ড. মো. মাহবুবুল আলম বক্তব্য রাখেন।
কর্মশালায় উপকূলীয় অঞ্চলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি, পানি ও মাটির লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা, লাভজনক ফসল বিন্যাস এবং গবেষণাল প্রযুক্তির সম্প্রসারণ বিষয়ে এক দশকের গবেষণা কার্যক্রমের চূড়ান্ত ফলাফল ও অভিজ্ঞতা অংশীজনদের সামনে উপস্থাপন করেন।
এছাড়াও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় ও উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়সহ উপকূলীয় এলাকায় কৃষি, মৃত্তিকা ও পানিসম্পদ উন্নয়নে কাজ করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন