প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের মাধ্যমে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে কক্সবাজার সীমান্তে ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তজুড়ে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি সম্ভাব্য ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে চোরাচালান ঠেকাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বাহিনীটি জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে অবস্থিত লাবনী পয়েন্টে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসের উপলক্ষে আয়োজিত মাদকবিরোধী র্যালিতে অংশ নিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন কক্সবাজার বিজিবির ডেপুটি রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ারুল আলম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মধ্যে ইয়াবার চাহিদা থাকায় বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এসব পাচার ঠেকাতে বিজিবি নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ আরো জোরদার করেছে।
কর্নেল আনোয়ারুল আলম বলেন, সম্প্রতি ড্রোন ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের বিষয়টি আলোচনায় আসে এরপর সীমান্ত পরিস্থিতির উপর আরো নিবিড় নজরদারি শুরু হয়েছে।
যদিও এখন পর্যন্ত ড্রোনের মাধ্যমে ইয়াবা পাচারের সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ লাভ হয়নি, তথাপি সম্ভাব্য অেলোন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে কক্সবাজার সীমান্তে চারটি ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে যা সার্বক্ষণিক নজরদারি কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ ছাড়া অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে সীমান্ত এলাকায় কোন সন্দেহজনক ড্রোন শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। দুর্গম সীমান্ত এলাকায় প্রযুক্তি নির্ভর নজরদারির পাশাপাশি স্থল টহল ও গোয়েন্দা কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালান প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পরিকল্পনা হচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন কালের কণ্ঠে ‘মায়ানমার সীমান্তে ইয়াবা পাচারে ড্রোন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার করে মাদক পাচারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এরপর বিজিবি সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে কার্যক্রম জোরদার করেছে।
বাহিনীটির দাবি, বর্তমানে ড্রোন ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না মিললেও সম্ভাব্য এই ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে ড্রোন এবং অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন