প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন মাইলফলক হয়েছে। রোগীদের জন্য দ্রুত ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
দেশের ক্যান্সার চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য এবং রোগীর সেবার মানোন্নয়ন এবং পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি লক্ষ্য করে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স (আইএনএমপি) এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হাসপাতালের পক্ষে পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং আইএনএমপি, এইআরআই-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. সেলিম রেজা সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ক্যান্সার রোগীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, রেডিয়েশন অনকোলজি সেবা, মেডিকেল ফিজিক্স, গুণমান নিশ্চিতকরণ (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স), গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নে যৌথ সহযোগিতার বিষয়টি আইএনএমপি এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মধ্যকার স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।
সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সারাদেশ থেকে আসা রোগীদের একটি দীর্ঘ সিরিয়ালে বা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়, যা অনেক সময় চিকিৎসার কার্যকারিতাকে ব্যাহত করে। রোগীদের এই দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমাতে এবং দ্রুততম সময়ে সেবা নিশ্চিত করতে এই দুটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই চুক্তির ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানের এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে রোগীরা এখন থেকে কোনো রকম দীর্ঘসূত্রতা ছাড়াই উন্নত প্রযুক্তির নিউক্লিয়ার মেডিসিন, নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং নিবিড় থেরাপিউটিক সেবা পেতে সক্ষম হবেন।
এই সমঝোতা স্মারক দেশের সামগ্রিক ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী ও ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলেও উভয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মঈনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন