প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপে একই সময়ে ‘সি’ গ্রুপের আরেকটি ম্যাচে মাঠে নেমেছে হাইতি ও মরক্কো। ম্যাচের ১০ মিনিটের মধ্যেই হাকিমিদের বিপক্ষে এগিয়ে যায় হাইতি। গোলটি করেছেন জোসেফ। পরে ফিফা এটিকে ইয়াসিন বুনুর ‘আত্মঘাতী গোল’ হিসেবে ঘোষণা করে।
এই গোলের জন্য ১৯৭৪ সালের পর পুরুষদের বিশ্বকাপে হাইতি তাদের প্রথম গোল পায়। প্রথম দুই ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা মরক্কোর জন্য একটি মাত্র ড্র-ই শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট। অন্যদিকে, প্রথম দুই ম্যাচেই স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া হাইতির জন্য আজকের ম্যাচটি শুধুমাত্র নিজেদের সম্মান বাঁচানোর একটি সুযোগ।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে তারা সকলকে চমকে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় মরক্কো, যে দলের র্যাংকিং বিশ্বে ৬ নম্বর। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের মাত্র ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে গোল করে বাজিমাত করেন তরুণ ইসমাইল সাইবারি।
আজ যদি হাইতিকে হারিয়ে দেয় মরক্কো, তাহলে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হিসেবে সরাসরি নকআউটে চলে যাবে। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৩১ ম্যাচে অপরাজিত (২৬ জয়, ৫ ড্র) থাকা মরক্কোর আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। অন্যদিকে, ফিফা র্যাংকিংয়ের ৮৭ নম্বরে থাকা হাইতি এখনো তাদের প্রথম পয়েন্ট কিংবা প্রথম গোলের খোঁজে রয়েছে। হারলে তারা বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচ হারানোর একটি লজ্জাজনক রেকর্ড স্পর্শ করবে, যা এর আগে শুধুমাত্র এল সালভাদরের ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন