প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক পূজামণ্ডপ, সর্বোচ্চ অর্থ বরাদ্দ, সর্বোচ্চ ছুটি এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে উদযাপিত হচ্ছে।
তিনি শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ-সংলগ্ন বনানী পূজার মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত দুর্গাপূজার মহাষষ্ঠীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মচর্চা, উপাসনালয় নির্মাণ এবং বৈষম্য ছাড়াই ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’ শব্দের পরিবর্তে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি’ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, "আমরা কেউ এখানে সম্প্রদায় হয়ে আসি নাই। দেশের আইন-কানুন বা সংবিধান কাউকে সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করে না। আমরা সবাই বাংলাদেশের সমান অধিকারপ্রাপ্ত স্বাধীন নাগরিক।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অতীতে রাজনৈতিক ফায়দা ও ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নাগরিক হিসেবে সবার অধিকারকে প্রাধান্য দেয়।
এবারের বনানী পূজামণ্ডপের মূল প্রতিপাদ্য ‘জলজ’। দেশীয় সংস্কৃতি, উপাদান ও আবহে নির্মিত মণ্ডপের নান্দনিক সাজসজ্জার প্রশংসা করে তিনি বলেন, "দেশীয় ঐতিহ্যে রূপায়িত এই আয়োজন সত্যিই অসাধারণ ও প্রশংসনীয়।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত জ্ঞানশ্যাম ভান্ডারী। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) চেয়ারম্যান ও বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত এবং বনানী সোসাইটির সভাপতি শওকত আলী ভূঁইয়া (দিলন) আরও বক্তব্য দেন।
গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলোক সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সদস্য স্বপ্না ভৌমিক। ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় গোপাল রায় স্বাগত বক্তব্য দেন।
মহাষষ্ঠীর শুভলগ্নে দুর্গা মায়ের আগমনী গান, নৃত্য পরিবেশনা, মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন এবং শারদীয় বিশেষ সাময়িকী 'বোধন'-এর মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন