প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের হুতিদের ধারাবাহিক হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবকে সহযোগিতার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে জরুরি সামরিক বৈঠকে বসতে যাচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। এই বৈঠকে তিন দেশের সামরিক প্রধানরা আলোচনা করবেন, কীভাবে হুতিদের হামলার বিরুদ্ধে সৌদি আরবের নিরাপত্তায় সহযোগিতা করা সম্ভব।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে এই বৈঠকের। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় বৈঠকটি আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকের পর তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠকের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে সামরিক প্রধানরা বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় বা সৌদি আরবকে কী ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেননি। সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার লক্ষ্য হলো যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
চুক্তির শর্তাবলী অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। চুক্তির পর থেকেই তিন দেশ এর আওতাধীন বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেছে।
গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক প্রধানরা প্রথমবারের মতো কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সৌদি আরবে একটি সচিবালয় স্থাপন এবং তিন দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি করার বিষয়ে তারা একমত হন।
বৃহস্পতিবারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে মক্কা ও সৌদি আরবের বেসামরিক এবং অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলার নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলেও নিশ্চিত করা হয়। ইয়েমেন থেকে নতুন করে হামলার খবর পাওয়ার পর এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন