প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের ড্রোন হ্যাকের দাবি করেছে একটি হ্যাকার গ্রুপ, যা ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। সেইসঙ্গে তারা বিশ্বকাপ ফুটবলকে লক্ষ্য করে সাইবার ও ড্রোন হামলার হুমকি দিয়েছে। অনলাইন পর্যবেক্ষণ সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের বরাতে এই তথ্য শুক্রবার (১২ জুন) জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস।
এই হ্যাকের খবর এলো সেই সময়ে, যখন চলমান যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি ‘চূড়ান্ত’ পর্যায়ে রয়েছে বলে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তবে চুক্তির শর্ত নিয়ে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘হানদালা’ নামে ডাকা হয় এমন ওই হ্যাকার গ্রুপের এক বিবৃতির মাধ্যমেই সাইট ইন্টেলিজেন্স জানায়, তারা এফবিআইয়ের ব্যবহৃত এফপিভি (ফার্স্ট-পার্সন ভিউ) ড্রোনের ধারণ করা প্রতিটি ছবি এবং সন্দেহভাজনদের তথ্যে ‘কয়েক মাস ধরে’ প্রবেশ করে আসছে।
হ্যাকাররা জানায়, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিয়োজিত ড্রোনগুলোতে মানুষের চেহারা শনাক্তকরণ ও গাড়ির লাইসেন্স প্লেটের তথ্য পৃথক করার প্রযুক্তি বিদ্যমান’।
বিশ্বকাপে ড্রোন হামলার হুমকি দিয়ে তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আপনাদের বিশ্বকাপের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা দরকার। কারণ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর কয়েকটিকে আমরা মোটেও পছন্দ করি না। ভুলে যাবেন না, এফপিভি ড্রোন সব জায়গায় আছে। আপনারা কখনোই জানবেন না যে কখন একটি ড্রোন ঠিক কোন দলের বাসের ভেতরে যাচ্ছে।’
এদিকে, জানা গেছে, অননুমোদিত কোনো আকাশযান বা ড্রোনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্বকাপের স্টেডিয়ামগুলোর চারপাশে ড্রোন মোতায়েন করছে এফবিআই। যুক্তরাষ্ট্রের যেসব স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং টুর্নামেন্ট-সংশ্লিষ্ট ইভেন্টগুলোতে ড্রোন উড়ানো নিষিদ্ধ করা হবে।
হানদালা এমন কিছু ছবি ও ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে, যেগুলো তারা দাবি করছে হ্যাক হওয়া ড্রোন থেকে নেওয়া। তবে সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ এ দাবির বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে।
তারা বলছে, হ্যাকিংয়ের প্রমাণ হিসেবে দেখানো একটি ভিডিও ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের, যা একটি সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। ওই ভিডিওটি টর্নেডো দ্বারা ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার কাজে মার্কিন পুলিশ বিভাগের প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রচারের অংশ ছিল।
চলতি বছরের মার্চ মাসে, এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলের ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি করেছিল হানদালা। তারা সে সময় অনলাইনে প্যাটেলের ব্যক্তিগত ছবি ও কিছু তথ্য প্রকাশ করেছিল। এরপর এই হ্যাকার গ্রুপের সদস্যদের শনাক্ত করতে তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য ১ কোটি ডলার পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন