প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নরসিংদীর রায়পুরায় দৌলতকান্দি স্টেশনের আউটারে কর্ণফুলী কমিউটারের লোক ক্যাবে ওঠার বিষয়কে কেন্দ্র করে লোকোমাস্টার ও এক ওয়েম্যানের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার কারণে ট্রেনটি প্রায় দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যাত্রী।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, দৌলতকান্দি স্টেশনের আউটারে একটি ট্রেন দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ সময় এক ব্যক্তি ট্রেনের লোক ক্যাবে ঢুকে লোকোমাস্টারের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি লোকোমাস্টারের শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে তাঁকে নামানোর চেষ্টা করেন। লোকোমাস্টারও ওই ব্যক্তির শার্টের কলার ধরে টানাহেঁচড়া করেন। পরে তাঁদের থামাতে এগিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। তবে কর্ণফুলী কমিউটারের লোকোমাস্টার ও ওই ওয়েম্যানের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
দৌলতকান্দি স্টেশন মাস্টার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে কর্ণফুলী কমিউটার। রায়পুরা উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের দৌলতকান্দি স্টেশনের আউটারে ট্রেনটি দাঁড়ানোর পর কয়েকজন ওয়েম্যান লোক ক্যাবে ওঠার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেন লোকোমাস্টার। এ নিয়ে এক ওয়েম্যানের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতি হয়।
এ ঘটনায় ট্রেনটি প্রায় দেড় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকায় ঢাকাগামী শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। প্রচণ্ড গরমে অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে বাইরে অবস্থান নেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
এ বিষয়ে দৌলতকান্দি স্টেশনের মাস্টার মানিক হোসেন বলেন, ‘ওয়েম্যানরা লোক ক্যাবে উঠতে চাচ্ছিলেন। লোক ক্যাবে সাধারণ যাত্রী বা অন্য কারো প্রবেশের অনুমতি নেই। এখান থেকেই ট্রেনের সিগন্যাল ও গতি নিয়ন্ত্রণের কাজ করেন লোকোমাস্টার। সেখানে উঠতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এ ঘটনা ঘটে।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয়ভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন