প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তান থেকে সমুদ্রপথে আসা ১০টি কনটেইনার আটক করেছে।
এই কনটেইনারগুলোর মধ্যে ১৫০ মেট্রিক টন কাঁচা তামাকের চালান ছিল। গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা এই তামাক দিয়ে প্রায় ৪৯৪ কোটি টাকা মূল্যের সিগারেট উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিবৃতিতে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, আটক তামাক দিয়ে আনুমানিক ২১ কোটি ৪৩ লাখ শলাকা প্রিমিয়াম সিগারেট উৎপাদন সম্ভব। এসব সিগারেটের সম্ভাব্য খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ৪৯৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। প্রাথমিক পর্যালোচনায় চালানটির আমদানি মূল্যেও উল্লেখযোগ্য অসংগতি দেখা গেছে। একই এইচএস কোডের পণ্য প্রতি কেজি ৫ দশমিক ১০ মার্কিন ডলার দরে শুল্কায়ন করা হলেও, এই চালানে প্রতি কেজি কাঁচা তামাকের ঘোষিত মূল্য ১ দশমিক ৪৫ মার্কিন ডলার হিসেবে দেখানো হয়েছে। পূর্ববর্তী আমদানি মূল্য বিবেচনায়, চালানটির আমদানি পর্যায়ে প্রায় ২১ কোটি ১২ লাখ টাকার রাজস্ব জড়িত রয়েছে।
কাস্টম গোয়েন্দা মনে করছে, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা তামাকের প্রকৃত ব্যবহার এবং তা দিয়ে উৎপাদিত পণ্যের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা না হলে, আমদানি থেকে শুরু করে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ, সব পর্যায়েই শুল্ক-কর ফাঁকির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন