প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বীরভূমের তারাপীঠ ও কলকাতার নিউমার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাত বাংলাদেশিসহ মোট ৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যজুড়ে কঠোর অভিযান শুরু করেছে। পৌরনিগম (পৌরসভা) কলকাতার ৯১৯টি আবাসিক হোটেল ও গেস্টহাউস বন্ধের নোটিশ জারি করেছে, কারণ যৌথ পরিদর্শনে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় ত্রুটি এবং বৈধ লাইসেন্সের অভাব দেখা গেছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) পৌর কমিশনার স্মিতা পান্ডে এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পালিত খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহের অংশ হিসেবে পার্ক স্ট্রিট, ট্যাংরা ও বড়বাজারের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে পচা মাংস এবং ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের কারণে ৪০টি খাবারের দোকানের লাইসেন্স সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
স্মিতা পান্ডে আরও বলেন, ‘কলকাতায় প্রায় ৩ হাজার ৭০০ গেস্টহাউস বা লজ রয়েছে। এর মধ্যে ৯৬০টি গেস্টহাউসে পৌরনিগম, ফায়ার সার্ভিস এবং সিইএসসি-র যৌথ দল পরিদর্শন করেছে। ৯৬০টি গেস্ট হাউসের মধ্যে ৯১৯টি গেস্ট হাউসকে বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ৪১টি গেস্টহাউস ঠিক আছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘যেসব গেস্ট হাউসে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থায় ত্রুটি রয়েছে। কিছু হোটেল বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। তবে উৎসবের মৌসুমে পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে শর্তাবলি মেনে এবং অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত করে আবেদন জানালে পুনরায় হোটেল খোলার অনুমতি দেওয়া হবে।’
এদিকে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে পালিত ‘খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহ’ উপলক্ষে কলকাতা পুরসভার খাদ্য সুরক্ষা বিভাগ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন