প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইয়েমেনের বাজারে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। হুতি গোষ্ঠী অভিযোগ করেছে যে, এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে তাইজ প্রদেশের একটি বাজারে।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তায়েজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ এলাকার বাজারে হামলাটি সংঘটিত হয়।
হুতি বিদ্রোহীদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আলসাবাহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেন।
তবে হামলার দায় নিয়ে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুতি বিদ্রোহীরা পরস্পরকে দোষারোপ করেছে। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
তায়েজ প্রদেশের অধিকাংশ এলাকা বর্তমানে হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা প্রাদেশিক রাজধানী অবরুদ্ধ করে রেখেছে, যেখানে সৌদি-সমর্থিত সরকার ও তাদের বাহিনীর অবস্থান রয়েছে।
হুতি পরিচালিত আল-মাসিরা টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিওতে হামলাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। সেখানে খাবার রাখা একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন, ধ্বংস হওয়া যানবাহন, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ফলের বাক্স এবং ধ্বংসস্তূপ দেখা যায়।
তবে তায়েজে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে। তারা একই সঙ্গে দাবি করেছে যে, ওই এলাকায় কোনো বিমান হামলা চালানো হয়নি।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানান, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তায়েজ প্রদেশের আল-ওয়াজিয়াহ এলাকার আল-হাদারা বাজারে তিন দফা বিমান হামলা হয়।
তিনি সৌদি আরবকে এই হামলার জন্য দায়ী করেন। তার দাবি, সৌদি যুদ্ধবিমান খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে এসে হামলা চালানোর পর সকাল ৮টার দিকে তায়েজ প্রদেশ ছেড়ে যায়। তবে তিনি নিজের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন