প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জাতীয় ক্রীড়া আইন মেনে চলতে রাজি নয়। সুপ্রিম কোর্ট জানতে চেয়েছে কেন বিসিসিআই অন্যান্য জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির মতো কেন্দ্রীয় সরকারের আইন মানবে না। বোর্ড তাদের অবস্থানের পক্ষে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেছে। কিছু বিষয় নিয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে।
বিসিসিআই কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল নয়, যা অন্যান্য জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বরং, তারা সরকারকে কর বাবদ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ প্রদান করে। বিসিসিআই একটি স্বশাসিত সংস্থা হিসেবেও পরিচিত। তবে, জাতীয় ক্রীড়া আইনের আওতায় থাকতে তাদের আপত্তি নেই।
শুক্রবার বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভার পর সচিব দেবজিৎ শইকীয়া বলেছেন, "আমরা নিয়মিত কর দেই। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা কর দেয় বিসিসিআই। বার্ষিক সাধারণ সভায় আমরা এই তথ্য জানিয়েছি। এই তথ্য প্রকাশ করার পর উপস্থিত প্রতিনিধিরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন।"
বোর্ড সচিব আরও জানিয়েছেন, "ক্রীড়া আইন সম্পর্কে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনেক কাজ করতে হবে। সেই কাজগুলো হওয়ার পর বিসিসিআই আইনের আওতায় এলে, সেটা স্বীকৃতি দিতে হবে। তার জন্য আবার একটা বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে। তার আগে পর্যন্ত আমাদের কিছু করার নেই। সেই বিজ্ঞপ্তি পেলেই আমরা কাজ শুরু করে দেব। আমরাও নতুন ক্রীড়া আইন অনুযায়ী কাজ করব। সুপ্রিম কোর্টে যে আলোচনা হয়েছিল, তেমন কিছুই এখনও পর্যন্ত হয়নি। আগামী ২৭ অক্টেবর পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেদিন আমরা আদালতকে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেব।"
শইকীয়া উল্লেখ করেছেন, বিসিসিআই যেহেতু কেন্দ্রের আর্থিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল নয় এবং বোর্ডের কাছ থেকেই সরকার আয় করে, তাই বর্তমান আইন মেনে চলা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় পরিবর্তন বা সংশোধন হলে বোর্ডের আইন মানতে সমস্যা নেই। অন্য খেলার জাতীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে বিসিসিআই নিজেকে এক পঙ্ক্তিতে বসাতে রাজি নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন