প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে অন্য তিন শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে জিলানী (১৪) নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার আতীয়া (১১) নামের আরেক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা এখন দুজনে দাঁড়িয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ আজ সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ সকাল ছয়টার দিকে জিলানী জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জিলানীর শরীরের ৮২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
চিকিৎসকরা আরও জানান, এই দুর্ঘটনায় লামিয়া নামের অপর এক শিক্ষার্থী ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়ে আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্য দুই শিক্ষার্থী আছিয়া ও সুমাইয়ার দগ্ধের পরিমাণ তুলনামূলক কম হওয়ায় তাদের অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসার ছাদে।
মাদরাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, দগ্ধ পাঁচ শিশুশিক্ষার্থীই ওই প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ছাত্রী ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদরাসার ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছে। ঘটনার পরপরই তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন