প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরান বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে।
এ ঘটনায় বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবী জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বানের।
রোববার (২৮ জুন) বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সর্বশেষ এই হামলা প্রমাণ করে যে ইরানের কর্মকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি বাহরাইনের সার্বভৌমত্ব এবং দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত ও ধারাবাহিক হামলার অংশ।’
মন্ত্রণালয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ২০২৬ সালের ২৮১৭ নম্বর প্রস্তাবের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে, চলমান আগ্রাসনের অবসান ঘটাতে হবে এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
এছাড়া বাহরাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইরানের অব্যাহত অবজ্ঞার জবাবে দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানি হামলায় মুহাররাক এলাকায় একটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। মন্ত্রণালয় আরও জানাচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কয়েক ঘণ্টার মাথায়, যুক্তরাষ্ট্র টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানে হামলা করেছে। সপ্তাহ দুয়েক আগে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে সইয়ের পর, এটি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় ঘটনা।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আইআরজিসির দাবি, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরের অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন