প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের নিজস্ব বিমানবাহী রণতরি আইএনএস বিক্রান্তে প্রথমবারের মতো সফলভাবে অবতরণ করেছে ফ্রান্সের তৈরি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান। গত ২৯ অক্টোবর চালানো প্রথম চেষ্টাতেই সফল অবতরণ ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুদ্ধবিমানটির অন্তর্ভুক্তির পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের এপ্রিলে নৌবাহিনীর জন্য ৭৫০ কোটি ডলারে ২৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করে। এর মধ্যে ২২টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান এবং চারটি দুই আসনের প্রশিক্ষণ বিমান রয়েছে। ২০২৯ সাল থেকে এসব বিমান সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে গত অক্টোবরের মাঝামাঝি গোয়ার আইএনএস হানসার কাছে একটি রাফাল উড়তে দেখা যায়। সেখানে বিমানবাহী রণতরির যুদ্ধবিমান পরীক্ষার জন্য ভারতের উপকূলভিত্তিক পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা শেষে বিক্রান্তে অবতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
নেভাল নিউজ বলছে, ভারতের নিজস্ব টুইন ইঞ্জিন ডেক বেসড ফাইটার (টিইডিবিএফ) প্রকল্পে অগ্রগতি না থাকায় ভবিষ্যতে আরও রাফাল-এম কেনার সম্ভাবনাও রয়েছে। বিক্রান্ত ও বিক্রমাদিত্যের জন্য একসময় ৫৭টি যুদ্ধবিমানের চাহিদা থাকলেও পরে তা কমিয়ে ২৬টিতে আনা হয়।
রাফাল-এম ও বোয়িংয়ের এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেটের মধ্যে প্রতিযোগিতার পর ২০২২ সালে পরীক্ষার ভিত্তিতে রাফালকে বেছে নেওয়া হয়। বর্তমানে দুই রণতরিতে মিগ-২৯কে/কেইউবি যুদ্ধবিমান ব্যবহৃত হচ্ছে। রাফাল বেছে নেওয়ার ফলে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে থাকা ৩৬টি রাফালের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনায় সমন্বয় সহজ হবে। বিমানবাহিনী আরও ১১৪টি রাফাল কেনার পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে ৯০টি ভারতে তৈরি হওয়ার কথা রয়েছে।
চুক্তির আওতায় ভারতীয় অস্ত্র সংযোজনের প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টিও রয়েছে। পাশাপাশি রাফালের কাঠামো তৈরির জন্য টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের সঙ্গে উৎপাদনকেন্দ্র গড়ে তুলছে ফরাসি নির্মাতা দাসো অ্যাভিয়েশন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন