প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিগত সময়ে রেল ট্র্যাক বৃদ্ধি করা হয়েছে, তবে সেই পরিমাণ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) বা ক্যারেজ (কোচ) সংগ্রহ করা হয়নি। তবে বর্তমানে চালু করা সরকার রেলের সেবার মান বৃদ্ধি করতে নিরলস কাজ করছেন জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। শুক্রবার রাতে নেত্রকোনা রেলওয়ে বড় স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
যাত্রী সেবার উন্নতির লক্ষ্যে শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার তিনটি রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা এবং সর্বশেষ নেত্রকোনা বড় স্টেশন পরিদর্শন করে সেখানে অব্যবস্থাপনার দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেন। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত পাবলিক টয়লেট নতুন করে করার উদ্যোগ সহ যাত্রী বিশ্রামাগার ও স্টেশনের উন্নতির আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।
নেত্রকোনা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'রেলের ইন্টারনেট সেবা বৃদ্ধি সহ রেলসেবা যা বর্তমান ৪৯টি জেলা থেকে বর্ধিত করে ৬৪ জেলাতেই এটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।'
নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রেলওয়ের লক্কড়-ঝক্কড় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের বিষয়ে তিনি বলেন, 'সারা দেশেই আমরা যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি করতে চাই। এ জন্য কিছু কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করতে চাই। তবে যেগুলি ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রয়োজন, সেগুলি করে দেখবো সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা কত যথেষ্ট। সারা দেশে যে দাবিগুলো রয়েছে, কোনটার পর কোনটা করতে হবে তা পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। তবে ট্রেনের কাজগুলোর আন্তর্জাতিক টেন্ডার হয়, যা সম্পন্ন হতে দুই থেকে তিন বছর সময় নেয়। এই কারণে আমরা পুরোনো লোকোমোটিভগুলোকে মেরামত করে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।'
পূর্বধলার জারিয়া থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ডেপুটি স্পিকার সাহেব ১২ কিলোমিটার রেলপথ সম্প্রসারণের আবেদন জানিয়েছেন। আমিসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতনরা সেটি পরিদর্শন করেছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে, তাই এখনই বলা যাচ্ছে না হয় কি হবে। আমরা যদি দেখি এটি জনগণের জন্য খুব উপকারী ও যাত্রী সেবার প্রয়োজন, তাহলে আমরা এটি নিয়ে কাজ করবো। আমরা এমন কিছু করতে চাই না যা মানুষের জন্য অপচয় হবে।'
কিশোরগঞ্জের একটি আন্তঃনগর ট্রেন জারিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন, 'দাবি-দাওয়া সবারই থাকবে, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখবো কার কতটুকু প্রয়োজন। সে অনুযায়ী কাজ চলছে।'
স্টেশন পরিদর্শনের সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রেল প্রতিমন্ত্রী তার নিজ জেলা হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার হাওর পরিদর্শন করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন