প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইউক্রেনে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধের সমাধান ‘মানুষের ধারণার চেয়েও অনেক কাছাকাছি চলে এসেছে’। তিনি এ কথা সোমবার (৬ জুলাই) হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের জানান। অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দীর্ঘ ফোনালাপের পর তিনি এটা মনে করেন।
ট্রাম্প আরও জানান চলতি সপ্তাহে তুরস্কের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে এই যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে বড় ধরনের আলোচনা হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা যুদ্ধের সমাধানের যতটা কাছাকাছি চলে এসেছি, মানুষ তা এখনো টের পাচ্ছে না। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও এই যুদ্ধের অবসান চান। আমি আপনাদের খুব জোরালোভাবে বলছি।’
ক্রেমলিন সূত্রে জানা গেছে, পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের ৪ জুলাইয়ের ছুটির দিনে প্রায় ৮৫ মিনিট দীর্ঘ ফোনালাপ হয়। এই ফোনালাপে ট্রাম্প শান্তির পথে সাহায্য করার প্রস্তাব দেন। এরপর জেলেনস্কির সঙ্গেও তিনি কথা বলেন। ট্রাম্প জানান, জেলেনস্কিও এখন এই যুদ্ধ থামানোর পক্ষে রয়েছে।
আঙ্কারায় অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের সরাসরি বৈঠকের কথা রয়েছে বুধবার (৮ জুলাই)। ট্রাম্প যুদ্ধ শেষের দাবি করলেও মাঠের পরিস্থিতি এখনো থমথমে। কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সাফল্যের কারণে ট্রাম্প এখন যুদ্ধটিকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন।
ফিনান্সিয়াল টাইমসকে জেলেনস্কি জানান, রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলাকে ট্রাম্প বেশ ইতিবাচকভাবে দেখছেন। জেলেনস্কির ভাষায়, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবসময় সাফল্যের পাশে থাকতে চান। আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন ও নিজের মর্যাদার স্বার্থেই তিনি এই যুদ্ধ শেষ করতে আগ্রহী।’
এদিকে মস্কোতে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, যুদ্ধ নিরসনের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান স্পষ্ট ও সংগতিপূর্ণ। তিনি ঘন ঘন মত বদলান না। পেসকভ বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যুদ্ধক্ষেত্রে আসল পরিস্থিতি কী, তা পুতিনের কাছ থেকে সরাসরি শুনতে ট্রাম্প বেশ আগ্রহী।’ ক্রেমলিন নিশ্চিত করেছে যে, পুতিন ও ট্রাম্প অদূর ভবিষ্যতে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন