প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারণে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি কঠোর সমালোচনা করেছেন। মেলোনি ট্রাম্পকে নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে চিন্তা করার পরামর্শ দেন। তাদের মধ্যকার এই বিতর্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন আরো তীব্র হয়েছে।
শনিবার ট্রাম্প দাবি করেন, ইতালিতে মেলোনির জনপ্রিয়তা ক্রমেই কমছে।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না দেওয়ার মার্কিন প্রচেষ্টায় মেলোনি সমর্থন দিচ্ছেন না। একই সাথে, দাবি করেন যে একটি ছবি তোলার জন্য মেলোনি বারবার অনুরোধ করেছেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি বিবৃতিতে মেলোনি ট্রাম্পের এই ধারাবাহিক এবং উসকানিমূলক আক্রমণকে 'অর্থহীন' বলে অভিহিত করেছেন।
মেলোনি বলেন, ‘আপনার যদি আমার জনপ্রিয়তার কথা বলার ইচ্ছা থাকে, তবে নিশ্চিতভাবে আপনার বন্ধু হওয়া এতে কোনো সাহায্য করেনি। আমার জনপ্রিয়তা আপনার উদ্বেগের বিষয় নয়। আমি আপনাকে পরামর্শ দেয়, আপনি নিজের জনপ্রিয়তার ব্যাপারে চিন্তা করুন।’
এর আগে, ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানের জন্য ইতালির বিমান ঘাঁটি ব্যবহার না করে মেলোনি একটি বড় ধরনের লজিস্টিক সমস্যা তৈরি করেছেন। এর জবাবে, মেলোনি বলেন, ইতালির ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়টি চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত হয় এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সেই চুক্তি লঙ্ঘনের অনুমতি দেন না।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ‘মিনতি’ করেছিলেন। শুক্রবার, মেলোনি জানিয়েছেন যে ট্রাম্পের এমন দাবি তার জন্য বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে।
তিনি একটি ভিডিওতে উল্লেখ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কেন মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন, তা আমি জানি না। তবে তাকে একটি জিনিস মনে রাখা উচিত, আমি বা ইতালি কখনোই মিনতি করি না।’
চলতি বছর ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপের পরে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিতর্কের ফলস্বরূপ ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি আগামী সপ্তাহের শুরুতে নির্ধারিত তার যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন।
সূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন