প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে আজ তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন।
সাক্ষাতকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিগত দুই দশকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বিস্তার লাভ করেছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমবাজার, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামো উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের সংসদীয় কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
স্পিকার আরও বলেন, বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে কমপ্রিয়েন্সিফ ইকনোমিক পাটনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে চলছে। সংসদীয় পর্যায়ে সহযোগিতা এ আলোচনা আরও জোরদার করবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে ইলেক্ট্রনিক পণ্য সমূহের শুল্কমুক্ত আমদানীর সুযোগ প্রদান করার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন এসময় স্যামসাংসহ যেসব কোরিয়ান কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে ব্যবসা করছে তাদেরকে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য স্পিকারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকারকে অনুরোধ জানান। তিনি ‘জাতীয় যন্ত্রপাতি পরিচিতি নিবন্ধন’ বাস্তবায়নে এদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্পিকার কোরিয়ায় বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণে অব্যাহত সহযোগিতা প্রদানের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে মানবসম্পদ বিনিময়, আন্তঃসংসদীয় বিদ্যমান সহযোগিতা আরও গভীর বিস্তৃত এবং বহুমাত্রিক করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় স্পিকার ভোলায় গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন ও ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণে দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাতকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন