প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্য সরকার নাগরিকদের ঘরে অন্তত তিন দিনের খাবার ও পানি মজুদ রাখার পরামর্শ দিয়েছে, যা সাইবার হামলা, রাশিয়ার নাশকতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এ পরামর্শটি সাম্প্রতিক সাইবার হামলা, তীব্র গরম, খরা এবং দাবানলের ঝুঁকি বিবেচনায় দেওয়া হয়। এই তথ্যটি বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সরকারের ‘বি রেডি’ বা ‘প্রস্তুত থাকুন’ কর্মসূচির আওতায় নাগরিকদের দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য খাবার এবং বোতলজাত পানি ঘরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো জরুরি পরিস্থিতিতে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হলে নাগরিকেরা নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবেন।
বুধবার পিএইচপি প্রোগ্রামের একটি নিরাপত্তা ত্রুটি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বজুড়ে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রযুক্তিব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে তৎপর হয়ে ওঠে। ওই ত্রুটির কারণে কিছু অনলাইন সেবা বন্ধ হয়ে যায় এবং লাখ লাখ হ্যাকিংয়ের চেষ্টা শুরু হয়। এই ঘটনাটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় সাইবার নিরাপত্তা সংকট হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
দাবানল মোকাবেলায় সরকারের উদ্যোগ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, অতীতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাজ্যকে প্রায়ই পিছিয়ে থেকে কাজ করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন থেকে আরো আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।
সরকার দাবানল মোকাবেলায় সামরিক উড়োজাহাজ ব্যবহারের পরিকল্পনাসহ নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা খুঁজে বের করা সহজ হচ্ছে। ফলে এ ধরনের সাইবার হামলা আরো বাড়তে পারে। তিনি বলেন, শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র এবং জলবায়ু পরিবর্তন থেকেও ঝুঁকি বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, তার জীবদ্দশায় যুক্তরাজ্য বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে রয়েছে।
গত বছর ইউরোপীয় কমিশনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের খাবার, পানি, নগদ অর্থ এবং পাওয়ার ব্যাংকসহ ৭২ ঘণ্টার জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিয়েছিল।
সম্প্রতি নিরাপত্তাত্রুটির কারণে যুক্তরাজ্য সরকারের ৩২টি অনলাইন পরিষেবা সতর্কতামূলকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া উত্তর আটলান্টিকে সমুদ্রতলের যোগাযোগতারের কাছে রুশ জাহাজের সন্দেহজনক চলাচল এবং আর্কটিক অঞ্চলের প্রতিরক্ষাগত ঘাটতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন