প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজনৈতিক বিক্ষোভ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদকে কন্টেইনার দিয়ে অবরুদ্ধ করার ফলে দেশটির সাধারণ মানুষ ও পরিবহন ব্যবসায়ীরা চরম বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বিরোধীদের মিছিল আটকানোর জন্য সরকার শহরের বিভিন্ন সড়কে হাজার হাজার ভারী কন্টেইনার স্থাপন করে পুরো শহরকে কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে পরিবহন ব্যবসার কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে এবং রাস্তায় আটকে থাকা চালকদের জন্য মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর রাজধানী অভিমুখে পদযাত্রা ঠেকাতে সরকার শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে প্রায় ১,৫০০ থেকে ২,০০০ কন্টেইনার স্থাপন করেছে। স্থানীয় তরুণদের মধ্যে শহরটিকে ‘কন্টেইনারবাদ’ ডাকার প্রবণতা তৈরি হলেও, বাস্তবতা হলো এটি একটি মারাত্মক সংকটের সৃষ্টি করেছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পুলিশের বাজেয়াপ্ত করা এসব কন্টেইনার ও লরির কারণে অসংখ্য চালক ও পরিবহন ব্যবসায়ী আটকা পড়েছেন। অল পাকিস্তান গুডস ট্রান্সপোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন দাবি করেছে যে, পুলিশ অবৈধভাবে গাড়িগুলো আটকে রেখেছে এবং তাদের প্রতিদিনের আয়-ক্ষতির কোনো ক্ষতিপূরণ প্রদান করছে না। বিদেশি শিপিং লাইনের কন্টেইনার আটকে থাকার কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার জরিমানাও গুনতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, কন্টেইনার ভাড়া নেওয়া হয়েছে চুক্তিভিত্তিক ও নিয়ম মেনে এবং অর্থ যথাসময়ে পরিশোধ করা হবে।
কেবল কন্টেইনার ভাড়ার বিষয় নয়, সড়ক অবরোধের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং সাধারণ মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। রাজনৈতিক এই অচলাবস্থার ফলে অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি রাজধানীর পুরো জনজীবন এখন এক অনিশ্চিত স্থবিরতার মুখোমুখি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন