প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা শুরু হওয়ার খবরের প্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে গেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) এশিয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দুই প্রধান বেঞ্চমার্কের দাম প্রায় ২ শতাংশ হ্রাস পায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ৭৮ ডলার বা ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪৯ ডলার বা ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৮৭ ডলারে দাঁড়ায়।
মঙ্গলবারেও উভয় বেঞ্চমার্কের দাম ৩ শতাংশের বেশি কমেছিল। ফলে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের আলোচনায় অগ্রগতির সম্ভাবনাই বাজারে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য একটি যৌথ নেভিগেশন করিডোর চালুর বিষয়ে আলোচনা করছে দুই দেশ। পাশাপাশি প্রণালির কিছু অঞ্চলে মাইন অপসারণের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা চলছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত। এ পথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের বা এলএনজির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়। তাই প্রণালিটি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা কমে যায়, যার প্রভাব আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে পড়ে।
তবে বাজারে এখনো অনিশ্চয়তা বিরাজমান। আলোচনায় অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হলেও হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ফলে ইরান-ওমান আলোচনার পরবর্তী ফলাফল এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপরই তেলের দামের পরবর্তী গতিপথ অনেকটা নির্ভর করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন