প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের দক্ষিণ আঁধারমানিক গ্রামের খালের ওপর নির্মিত কালভার্টটি, যার ব্যয় তিন লাখ টাকা, স্থানীয় কৃষকদের জন্য কার্যকরী হচ্ছে না। সংযোগ সড়ক না থাকার কারণে কৃষকরা এটি ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে, খাল পার হয়ে কৃষিজমিতে যাতায়াত ও ফসল আনা-নেওয়ার জন্য এখনও জমির সরু আইলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কালভার্টটির নির্মাণে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেসার্স আয়ান এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজটি সম্পন্ন করে। তবে প্রকল্পের আওতায় শুধুমাত্র কালভার্ট নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও সংযোগ সড়কের জন্য কোনো অর্থ রাখা হয়নি। এই কারণে সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি কৃষকদের কতটা উপকারে আসছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় কৃষক জাফর হোসেন জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে আঁধারমানিক খালের ওপর কাঠের সাঁকো তৈরি করে কৃষিজমিতে যাতায়াত করতেন। যদিও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে, তাতে ওঠার জন্য কোনো সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এর ফলে যাতায়াতের সমস্যার সমাধান হয়নি। তিনি মনে করেন, সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে এলাকার অনেক কৃষক উপকৃত হতেন।
আরেক কৃষক আবদুল মোতালেব জানান, কালভার্টটির প্রায় ১০ ফুট নিচে জমির একটি সরু আইল রয়েছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় কালভার্টে উঠতে হলে মই ব্যবহার করতে হবে। এই কারণে এটি কৃষকদের জন্য কোনো কার্যকারিতা রাখছে না।
ফেনী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউনুছ এ বিষয়ে বলেন, তিন লাখ টাকা বরাদ্দের প্রকল্পে সড়ক নির্মাণের সুযোগ নেই। প্রকল্পটি মূলত খাল পার হয়ে কৃষিজমিতে যাতায়াতের সুবিধার জন্য নেওয়া হয়েছিল। এটি গাড়ি চলাচলের সড়ক নয়, তাই সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ছিল না।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ সাধারণত ছোট ছোট প্রকল্প বাস্তবায়ন করে, রাস্তা তৈরি করে না। এই কালভার্টের ক্ষেত্রেও সংযোগ সড়ক নির্মাণের সুযোগ নেই। স্থানীয়রা চাইলে সরকারের অন্য কোনো দপ্তর থেকে আলাদা বরাদ্দের চেষ্টা করতে পারেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন