প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাধারণ ধর্মঘটের কারণে পর্তুগাল কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে নিরাপত্তার ত্রুটি ও সরকারী পরিষেবার সীমাবদ্ধতার কারণে। বুধবার (৩ জুন) স্থানীয় সময় অনুযায়ী হাসপাতাল এবং ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি পরিষেবাগুলি কিছুটা সীমিত পরিসরে চালু থাকার পরও, বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রম বন্ধ ছিল, যার মধ্যে মেট্রোরেলও অন্তর্ভুক্ত। ফলে বাতিল হয়ে যায় পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট।
কর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের জন্য শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপি সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। বুধবার পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে কোনো দূরপাল্লার ট্রেন ছেড়ে যায়নি এবং শহরের মধ্যে কোনো ট্রেন প্রবেশ করেনি।
অনেক যাত্রী স্টেশনে এসে ট্রেন বাতিলের খবর পেয়ে ফিরে গেছেন। ধর্মঘট সফল করার লক্ষ্যে, স্টেশনে সক্রিয় ছিলেন ইউনিয়নের সদস্যরা।
ধর্মঘটের কারণে মধ্যরাত থেকেই মেট্রোরেল স্টেশনগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। সীমিত পরিসরে বাস চলাচল থাকলেও, যাত্রীদের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। অনেক পর্তুগীজ কর্মী কাজে যেতে না পারলেও, গণপরিবহন সংকটের কারণে অনেক অভিবাসী ও অন্যান্য কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
ধর্মঘটে অংশ নেওয়া একজন বলেন, ‘আমি সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইনকে সমর্থন করি না। তাই ধর্মঘটে অংশ নিয়েছি। আমি লক্ষ্য করিছি, অনেক তরুণও এই আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সরকারকে অবশ্যই এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে।’
শুধু লিসবন নয়, দেশের বিভিন্ন শহরে ধর্মঘটের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নার্স, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ কর্মবিরতি পালন করেন। সিজিটিপির নেতারা জানান, শ্রমিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণই প্রমাণ করে যে নতুন শ্রম আইন জনগণ মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।
সিজিটিপির জেনারেল সেক্রেটারি তিয়াগো অলিভেইরা বলেন, ‘সিজিটিপি শ্রমজীবী মানুষকে তাদের দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে এই অন্যায্য আইন বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করা সম্ভব। এত মানুষের দাবি সরকার উপেক্ষা করতে পারে না।’
ধর্মঘটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে লিসবন বিমানবন্দরে, যেখানে টিকিট বাতিল হয় পাঁচ শতাধিক ফ্লাইটের। নির্ধারিত দিনে ভ্রমণ করতে না পেরে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়েছেন। এ ছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষা খাতের কর্মীদের ধর্মঘটে অংশগ্রহণের কারণে দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন