প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হবিগঞ্জের মাধবপুরে গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চারটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার, দিনের বেলায় উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের পিয়াইম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিয়াইম গ্রামের কৃষ্ণপদ সরকারের একটি গরু চুরির ঘটনায় গ্রামে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর স্থানীয় ইউপি সদস্য আবিদ মিয়াসহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের বাড়িতে যান। একপর্যায়ে সেখানে ভাঙচুর চালানো হয় এবং ঘরের আসবাবপত্র বাইরে এনে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পিয়াইম গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (২৮), মৃত উসমান মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া (৩০), মৃত সক্কদর মিয়ার ছেলে সামছু মিয়া (২৬) এবং মৃত লাল মিয়ার ছেলে সাজু মিয়া (৩০) দীর্ঘদিন ধরে চুরি-ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। শুধু পিয়াইম গ্রাম নয়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রামেও তারা চুরি-ডাকাতি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগও রয়েছে। এ ছাড়া চুরি-ডাকাতির সময় বিভিন্ন বাড়ির নারীদের ধর্ষণের অভিযোগও তুলেছেন গ্রামবাসী। তবে সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে ভুক্তভোগীরা প্রকাশ্যে অভিযোগ করেননি বলে দাবি করা হয়েছে।
পিয়াইম গ্রামের মুতি মিয়া ও জামাল মিয়া জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল, চাপাতিসহ চুরি-ডাকাতিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করেন এবং রাতে চুরি-ডাকাতিতে জড়িত থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাতিয়াইন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আশিস দে জানিয়েছেন, সাজু মিয়ার বিরুদ্ধে একটি এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি-ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন। যদি কেউ অভিযোগ করেন, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন