প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ম্যাচের বাজে আউটটি নিঃসন্দেহে তাওহীদ হৃদয়কে অনেক পুড়িয়েছে। তবে সিলেট টেস্টে দলের প্রয়োজনে তিনি একাই ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যদিও গত ম্যাচে তেমন কিছু করতে পারেননি। দলের বিপর্যয়ের মধ্যেই হৃদয় তুলে নিয়েছেন একটি দারুণ সেঞ্চুরি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের পথে একমাত্র কাঁটা হয়ে এখনও অপরাজিত রয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার।
সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্নবিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ২০৫ রান করেছে। প্রথম ইনিংসে এখনও উইন্ডিজের চেয়ে ১৫১ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। হৃদয় সেঞ্চুরি করে ১০০ রানে অপরাজিত আছেন।
৩ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি হৃদয়ের প্রথম সেঞ্চুরি। ১৭১ বল খেলে সেঞ্চুরিটি করেছেন তিনি। ১১টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কাও মেরেছেন।
৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে রোববার বাংলাদেশ প্রথম ৭ ওভার নির্বিঘ্নে কাটিয়েছিল। রানের গতিও ছিল ভালো। প্রথম ৭ ওভারে বাংলাদেশ ৩৩ রান তুলেছিল। কিন্তু মুশফিকুর রহিমের বিদায়ে ছন্দপতন ঘটে। জোমেল ওয়ারিক্যানের হাওয়ায় ভাসানো বলে ড্রাইভ খেলে শর্ট কাভারে সহজ ক্যাচ তুলে দেন অভিজ্ঞ মুশফিক। ৩৪ রান করে তিনি আউট হন।
মুশফিকের মতো একই ধরনের আউট হয়েছেন লিটন দাসও। ওয়ারিকানের ধীরগতির বলে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ড্রাইভ করতে গিয়ে কাভারে দাঁড়িয়ে থাকা কিংয়ের হাতে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৮ রান করে লিটন ফেরেন।
লিটনের বিদায়ের পর মেহেদী মিরাজের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। দুজনেই বেশ সাবলীলভাবে ব্যাটিং করছিলেন। সুইপ খেলতে গিয়ে আউট হন হৃদয়।
এই ক্যাচে জাস্টিন গ্রিভসের কৃতিত্ব অনেক বেশি। চেজের বলে মিরাজ আগেভাগেই প্যাডেল সুইপ খেলার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, কিন্তু বলটি মাটিতে রাখতে পারেননি। প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রিভস আগে থেকেই বিষয়টি আঁচ করতে পেরেছিলেন। তিনি দ্রুত পাশের দিকে সরে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে দারুণ ক্যাচ নেন।
বল হাতে আগুন ঝরানো হাসান ব্যাট হাতে কেবল ১ রান করতে পেরেছেন। ১ রানে অপরাজিত রয়েছেন তাইজুল ইসলাম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন