প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সাগরে একটি মাছধরা ট্রলারে জলদস্যুরা হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ১২ জন জেলে আহত হয়েছেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোররাত ৪টার সময় কুয়াকাটা থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে খাম্বা বয়া বাতি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। হামলার সময় দস্যুরা ট্রলার থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মাছ, জাল এবং জ্বালানি তেলসহ অন্যান্য লাখ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত মাঝি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকার আবুল কালামের ছেলে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কলাপাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পরে বাড়ি ফিরেছেন।
ভুক্তভোগী ট্রলার এফবি মিম-এ থাকা জেলে ইব্রাহীম জানান, মাছ নিয়ে তীরে ফেরার পথে কালো পতাকা টানানো হলুদ রঙের ট্রলারে প্রায় ২৫ জন সশস্ত্র জলদস্যু তাদের ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। ট্রলারে থাকা ১৬ জন জেলের মধ্যে ১২ জনকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ট্রলারে থাকা মাছ, জাল, ডিজেল, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা।
মহিপুর মৎস্যজীবী সমিতির নেতা ফজলু গাজী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সমুদ্রে জলদস্যুদের তৎপরতা কম ছিল। কিন্তু সম্প্রতি গভীর সমুদ্রে তাদের আনাগোনা আবার বেড়েছে। ফলে জেলেদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দস্যুদের গ্রেপ্তার এবং গভীর সমুদ্রে কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নৌ টহল বৃদ্ধি করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার শহীদুল্লাহ বলেন, বিষয়টি এখনও আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। আমি বর্তমানে অভিযানে রয়েছি। বিস্তারিত জানার জন্য গোয়েন্দা শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
পায়রা বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন তারকুন বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন