প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করে চলেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৪ টার দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে দীর্ঘ ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে আশ্রয় দিতে গিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ, পরিবেশ ও নিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে; তাই এর একমাত্র টেকসই সমাধানও মিয়ানমারের ভেতরেই নিহিত। জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে তাদের মাতৃভূমিতে নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই সংকট সমাধানের একমাত্র পথ।
সংকট সমাধানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে তারেক রহমান বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় এবং কার্যকর সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তুচ্যুত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার ও অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হলে, অদূর ভবিষ্যতে এটি কেবল এই অঞ্চলে নয়, পুরো বিশ্বে চরম মানবিক ও নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিতে পারে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন প্রসঙ্গ তুলে ধরে এরপর তিনি বলেন, অভিবাসনপ্রক্রিয়া মানবসভ্যতার মতোই প্রাচীন এবং অভিবাসীরা তাদের জন্মভূমি ও অবস্থানরত দেশ—উভয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ভূমিকা রাখছেন। বাংলাদেশ সরকার সর্বদা নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল অভিবাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অভিবাসীদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আরও জোরালো বৈশ্বিক সহযোগিতা আশা করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন