বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
১১:২৪ পি.এম
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ঘটেছে ৫০ বছর বয়সী ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খাইরুল হাওলাদারের। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
খাইরুল বরগুনার বামনা থানার সোনাখালি গ্রামের মৃত আব্দুল কাদের হাওলাদারের পুত্র ছিলেন। তিনি বর্তমানে যাত্রাবাড়ী কাজলা নয়ানগর অঞ্চলে পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় বাস করছিলেন।
খাইরুলের ভাতিজা রুবেল জানিয়েছেন, কাজলা নয়ানগর এলাকার একটি আবাসনে বিদ্যুতের কাজে থাকা অবস্থায় অযত্নে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। সেখান থেকে তাড়াতাড়ি তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মৃতদেহটি হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে এবং এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সূচি অনুযায়ী প্রচারসভা শুরু হয়েছে। প্রকাশ্যে নির্বাচনী সভার প্রথম দিনে শেরপুরে বিএনপির প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকার জনসভায় জনতার ঢল দেখা যায়। ভোগান্তি এড়াতে শেরপুর জেলা বিএনপি শহরের একপাশে শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্কে এই সভার আয়োজন করে। দুপুর থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে মাঠে উপস্থিত হন।
জেলা বিএনপির সভাপতি এড. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ হযরত আলী, শহর বিএনপির আহ্বায়ক এড. আব্দুল মান্নান পিপি, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হান রুপন ও কামরুল ইসলাম।
বিএনপি মনোনীত দেশের সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা তার বক্তব্যে বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে আমি প্রিয়াংকা আপনাদের স্নেহ ধন্য বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছি। এই মনোনয়ন দলের প্রতি আস্থার নিদর্শন। আমাদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আমরা সুখি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমি এখানে এসে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আসিনি, নিজেদের সেবক হিসেবে থাকার প্রতিশ্রুতি দিতে এসেছি। আপনারা আগামী ১২ তারিখ ভোটের মাধ্যমে আমাকে নির্বাচিত করবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘জনাব তারেক রহমান নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। শেরপুরের স্বার্থে সুশৃঙ্খল, সমতা ও ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক মুক্তির পরিকল্পনা আমরাও আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব।’
বক্তব্যের শেষে তিনি জনগণের কাছে ক্ষমাও চেয়ে বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে শেরপুরে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবো। অপরাধীদের আশ্রয় দেবো না, সে আমার দলের হলেও নয়। সত্যের কথা বলবো, সেটি নিয়ে চিন্তা করবো না। আপনাদের সহযোগিতায় সৎভাবে অপরাধীদের প্রতিরোধ করব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি জানান, প্রচারণা শুরু হয়েছে। অনেক স্থানে যেতে পারবো, আবার অনেক স্থানে যাওয়া সম্ভব হবে না। যারা এখানে এসেছেন, তারা দল ও আমার আবেদন পৌঁছে দিবেন। শেরপুর যেন আর কোনো অত্যাচারীর হাতে না পরে, উন্নয়নে সমতার শেরপুর গড়ে তুলতে সবাই একসাথে কাজ করার আহবান জানান। যারা বিভ্রান্তিতে আছেন, তাদের প্রতি তিনি বলেন, ‘দল ও দেশকে ভালবেসে আসুন ধানের শীষের হয়ে কাজ করি।’ প্রিয়াংকার বক্তব্যের সময় মাঠে ‘ধানের শীষ’ স্লোগানে গর্জন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শীতে কাঁপানো মাঘের সন্ধ্যায়, ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা। হিমালয়ের পাদদেশে শহরে ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যে, রাজপথে শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক স্লোগানের গুঞ্জন। উত্তরের এই এলাকায় এখন ভোটের উত্তাপটি ঠান্ডার থেকেও বেশি জোরালো। ভোট প্রতীকের বরাদ্দ পাওয়ার পর দৃশ্যপট একেবারেই পাল্টে গেছে। গলি থেকে রাজপথ— সর্বত্র চলছে ভোটের নিশানা।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি সবসময় ভিআইপি লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে বিএনপি এবং জামায়াত এবার তৎপর হয়ে উঠেছে নিজের খাসতালুক রক্ষার জন্য এবং পুরোনো জমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে। নির্বাচনী তফসিল এলেই প্রতীক হাতে নিয়ে প্রচারের অঙ্গীকার করেছেন প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষভাবে সক্রিয় রয়েছেন।
রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে মির্জা ফখরুল সব সময় ময়দানে থাকতে না পারলেও তার অনুপস্থিতিতে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন গ্রহণ করেছেন নেতৃত্বের দায়িত্বটি। শীতে যাত্রা করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কাকডাকা ভোরে বেরিয়ে পড়ছেন তিনি। এলাকায় গিয়ে ভাইয়ের জন্য প্রার্থনা এবং ভোট চেয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন ফয়সাল। তার বক্তব্য হচ্ছে, ‘ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ ধানের শীষের সঙ্গে ছিল, আছে এবং থাকবে।’
জামায়াতে ইসলামীও পিছিয়ে নেই এই নির্বাচনে। স্থানীয় দলে প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে তাদের শক্তি তুলে ধরছেন। তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে রয়েছে এলাকার ‘আমূল পরিবর্তনের’ প্রতিশ্রুতি। প্রতীক পাওয়ার পর গত ২৪ ঘণ্টায় দেলাওয়ারের গণসংযোগের প্রতাপ এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে জামায়াত কোনওভাবেই নিজের অধিকার ছাড়তে প্রস্তুত নয়।
দিনের শুরু থেকে রাত অবধি জেলা শহর এখন পোস্টার ও ব্যানারে পূর্ণ। চায়ের দোকান থেকে মাঠে-মাঝে, প্রতিটি স্থানেই আলোচনা থমকে গেছে ভোটের নির্বাচনী পর্বে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনৈতিক চিত্র একেবারে পাল্টে গেছে। ঠান্ডা বৃষ্টির মধ্যেও সেখানে এখন ভোটের নির্যাসে গরম অনুভূতি বইছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আজ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেগুলেটরি ওভাররিচ বা অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ কমানোর চেষ্টা করছে, ব্যাংকগুলোকে নিজেদের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান করার মাধ্যমে।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা আপনাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে চাই না, তবে আমাদের জারি করা নির্দেশনা ও বিধিবিধান সবাইকে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।’
রাজধানীর একটি হোটেলে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের যৌথ আয়োজনে ‘ব্যাংকিং খাত সংস্কার’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গভর্নর জানান, ব্যাংকিং কমিশন গঠন না করে তিনটি নির্দিষ্ট টাস্কফোর্স তৈরি করা হয়েছে, যাতে আর্থিক খাত সংস্কার ও সম্পদ পুনরুদ্ধার দ্রুত সম্পন্ন হয়।
তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, কমিশন গঠন হলে সেটি সময়সাপেক্ষ হতো, রিপোর্ট তৈরি হতে প্রায় ছয় মাস এবং সেটির পর্যালোচনায় আরও তিন মাস লাগবে। এতে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে যথাযথ সময়ের অভাব হবে।
গভর্নর বলেন, ‘আমরা কোনো কমিশন গঠন করব না। আমরা টাস্কফোর্সের মাধ্যমে সরাসরি বাস্তবায়নে যাব।’ তিনি উল্লেখ করেন, তিনটি টাস্কফোর্সের কাজের মধ্যে রয়েছে- ব্যাংকিং খাত সংস্কার, বাংলাদেশ ব্যাংক সংস্কার এবং সম্পদ পুনরুদ্ধার টাস্কফোর্স।
পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার জটিলতা তুলে ধরে গভর্নর জানান, অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বয়ে একটি জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন টিম (জেআইটি) গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সক্ষমতা বৃদ্ধি একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কারিগরি সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক, ব্রিটিশ সরকার, এফবিআই এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ)-এর মতো একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি করাই হলো চূড়ান্ত লক্ষ্য, যাতে এটি আর্থিক অপরাধ মোকাবেলায় ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে পারে।
গভর্নর জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ১২-১৩ জন বড় অপরাধী এবং আরও প্রায় ২০০ ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে, যারা প্রত্যেকেই ২০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি চলমান আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন, বিশেষ করে লন্ডনে সাইফুজ্জামানের সম্পদ পুনরুদ্ধারের মামলার বিষয়ে উল্লেখ করেছেন, যেখানে ইসলামী ব্যাংকও দাবি উত্থাপন করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধান বলেন, অর্থনীতি সচল রাখতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কঠোর রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করছে। তিনি ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমান অবস্থার বেশ কিছু পার্থক্য প্রদর্শন করেন, যেখানে মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে কারখানা সচল রাখা মূল লক্ষ্য।
গভর্নর বলেন, ‘আমরা কোনো কারখানা বন্ধ করতে চাই না... কোনো মত, কোনো দল নয়- যদি কারখানা থাকে, সেটি চালু রাখাই উদ্দেশ্য।’
তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, এস আলম গ্রুপের এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টে ২.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অপরিহার্য হওয়ায় এলসি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একইভাবে গাজী গ্রুপ ও বেক্সিমকোকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
বেক্সিমকো সম্পর্কে গভর্নর জানান, ১৮ বা ১৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুধু টেক্সটাইল সেক্টরটি সমস্যায় রয়েছে, যদিও ওষুধ উৎপাদনকারী ও শাইনপুকুর সিরামিকস সহ অন্যান্য ইউনিটগুলি সচল রয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের দায় পরিশোধ নিয়মিত করার লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে একটি ‘এক্সিট রোডম্যাপ’ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ৫ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথা রয়েছে।
গভর্নর জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান প্রশাসনের সময়ে আর্থিক আইন পাস করা অত্যন্ত জরুরি, নতুবা ভবিষ্যতের সরকারগুলোর জন্য তা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, মানি লোন কোর্ট অ্যাক্টের সংশোধনী ‘ব্যবসাবিরোধী’ অভিযোগে কমিটি ফেরত দিয়েছে। তিনি বলেন, এই সংশোধনী ছাড়া সম্পদ পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় এবং দ্রুত পাস করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্পর্কিত মন্তব্য করতে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা বলেন, "এবারের নির্বাচন স্বাধীনতার পক্ষে ও বিপক্ষের শক্তির নির্বাচন।"
তিনি যুক্ত করেন, "যারা স্বাধীনতার বিপক্ষে রয়েছে যেমন জামায়াতে ইসলামী, তারা ৭১'কে মানে না এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অগ্রাহ্য করে। অপরদিকে, বিএনপি হল স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি।" বৃহস্পতিবার রাতের দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুরে র্যালি ও ধানের শীষের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে বক্তব্যের অংশ হিসাবে এই মন্তব্য তিনি করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত রাখতে হলে ধানের শীষের পতাকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান সকল ভোটারদের। অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা স্বীকার করেন, "একটি দল দাবি করছে যে, তাদের প্রতীকে ভোট দিলে নাকি বেহেশত মেলে।" তিনি এই ধরনের প্রতারণা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য বলেছেন। এরপর তিনি টিকোরী বাজারসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ভোট প্রার্থনা করেন।
এসময় শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আশরাফুল হক, পৌর বিএনপির আহবায়ক সফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম রশিদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল হক হায়দারী, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবুল বাসার এবং মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক হায়দারীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দও সেখানে ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ