প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মাঝে চাপা উত্তেজনা চলছিল। এই প্রেক্ষাপটে ঘটে গেল আরেকটি ভয়াবহ ঘটনা। ওমান জলসীমায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি তেলবাহী জাহাজে ইরান ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে।
আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার প্রথম লক্ষ্যস্থল ছিল ‘মোম্বাসা’ নামের একটি জাহাজ, যেখানে হামলার ফলে এক ভারতীয় নাবিক নিহত হন। এছাড়া, এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন।
হামলার পর উক্ত জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়, যা ব্যাপক ক্ষতি সাধন করেছে। তবে কর্তৃপক্ষের বরাতে জানা যায়, বর্তমানে দুই জাহাজের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
এই হামলাকে আরব আমিরাত ‘নির্লজ্জ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে kড়া ভাষায় জানিয়েছে, এটি আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। নিজেদের এলাকা, জনগণ ও বাসিন্দাদের রক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংযুক্ত আরব আমিরাতের রয়েছে। তারা এই হামলার শক্তিশালী জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও জানায়।
অন্যদিকে, এই হামলার কারণে পুরো অঞ্চলে নতুন করে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এবং দুবাইয়ের কনস্যুলেট তাদের সব পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাৎ বুধবার পর্যন্ত বাতিল করেছে। মার্কিন মিশন জানিয়েছে, আগামী দুই দিন যাদের সাক্ষাৎকারের তারিখ ছিল, তাদের আপাতত দূতাবাস বা কনস্যুলেটে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কয়েকদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। নতুন করে নৌ-অবরোধ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রেক্ষিতে আমিরাতের জাহাজে ইরানের এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন