প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দেশের চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে সংসদে সমালোচনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুশকিল হয়, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন—তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন, না হলে বাক চাতুর্য দিয়ে পুরো বিষয়টি ঢেকে দিতে চান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন, ৬৪ জেলায় ৬৪ জন আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হতো না। বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এত ভালো অবস্থা।’
জ্বালানিসংকট এবং লোডশেডিং নিয়ে সংসদে তিনি সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুতের বিষয়ে মানুষ বলে, দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না—টুকু আসে, টুকু যায়।
এ আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’
জ্বালানিসংকট প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, যখন তেলের দাম বাড়ছে, যখন বিদ্যুতের জন্য হাহাকার, যখন গ্যাস পাওয়া যায় না, তখন ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতি যে সরকার দিয়েছিল নির্বাচনে, সে সরকার ক্ষমতায় আসার ৬ মাসের মধ্যে ৬২ হাজার লোক চাকরি হারিয়েছে। ৯০০-এর ওপরে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কত দিন থাকবে আল্লাহ মাবুদ জানে!
স্বতন্ত্র এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘এ সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারের মধ্যে তিনটি কাজের একটি হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুশকিল হয়।’
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বাজারে মানুষ গেলে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। চালের দাম, বিশেষ করে মিনিকেট চাল! বলা হয় এটা কেউ খায় না, কেউ কেউ তো খায়! দাম যখন দ্বিগুণ হয়ে যায়, যখন আমরা টিসিবির লাইন দেখি...।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন