প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হচ্ছে, যা আন্দোলনকারীদের কাছে ৩৬ জুলাই নামে পরিচিত। সেদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল, বিশেষ করে রাজশাহী মহানগরীসহ। বিভিন্ন গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী মহানগরীর আলুপট্টি, শেখেরচক, শাহ মখদুম কলেজ ও আশপাশের এলাকায় সংঘর্ষের ফলে অন্তত দুইজন নিহত হওয়ার খবর এসেছে এবং অনেক মানুষ আহত হয়েছেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শাহ মখদুম কলেজ ও পঞ্চবটি এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে দুই শিক্ষার্থী, সাকিব আনজুম (২৭) ও রায়হান আলী (২৬), শেখেরচক স্বচ্ছ টাওয়ার এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে গুলিবিদ্ধ ও আহত অবস্থায় অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত প্রতিবেদনে ওই এলাকায় অন্তত ৪৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তথ্য রয়েছে।
এদিকে, ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় হেলমেট পরিহিত অস্ত্রধারীদের একটি দল ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। তাদের অভিযোগে সুটার রুবেলের অন্যত্তম সহযোগী আব্দুল্লাহ হিল সাফি নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অজ্ঞাত কানে সুটার সাফিকে হত্যা মামলায় আসামী করা হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের দাবি হলো, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের, দ্রুত গ্রেফতার এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা উচিত।
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা দাবি করেছেন, রাজশাহী মহানগরীতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের চিহ্নিত অনেক নেতা-কর্মী এখনো প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। আবার কেউ কেউ রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপি বা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছেন। ফলে প্রকৃত ত্যাগীরা অনেক ক্ষেত্রে উপেক্ষিত হচ্ছেন। জুলাই-২০২৪ সালের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দায়ীদের শনাক্তকরণ এবং আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন