প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ভারত আবারও শেখ হাসিনাকে ‘টুল’ বা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যে দেশ নিজেদের বৃহত্তর গণতান্ত্রিক দেশ বলে দাবি করে, তারা এই সংবাদ সম্মেলনকে প্রশ্রয় দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতাকে অপমান করা হয়েছে। এমনকি ইচ্ছাকৃতভাবে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করার জন্য।
জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শহিদ পরিবারের সদস্যদের অনুদান প্রদান এবং স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে 'শহিদ জুলাই স্মৃতি সংসদ' দ্বারা।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ন মহাসচিব বলেন, পূর্বে ভারত শেখ হাসিনাকে দিয়ে বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও, বর্তমানে তাদের সে ক্ষমতা নেই। সুতরাং শেখ হাসিনাকে আবারও ‘টুল’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, রক্তপান করা দানবকে বাংলাদেশ থেকে তাড়ানো হয়েছে। এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে— একজন পলাতক আসামি কি সেই দেশ (ভারত) থেকে রাজনীতি করার সুযোগ পেতে পারেন? ভারত তাকে আশ্রয় দিয়েছে, সেখানে থাকুক। কিন্তু সেখান থেকে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্য অনর্গল অডিও রেকর্ড ও বার্তা পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, যে তারিখে শেখ হাসিনার পতন ঘটে, সেই তারিখেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের সরকার এ বিষয়ে প্রতিবাদ করেছে। তবে ভারতের সরকার বলছে, এটার সঙ্গে তাদের কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু যদি একটি অনুষ্ঠান করতে হয়, তাহলে সরকারের অনুমতি প্রয়োজন। সরকারের ‘গ্রিন সিগনাল’ ছাড়া একজন খুনি, পলাতক আসামি এবং তার ছেলে কীভাবে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে পারেন?
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশে শেখ হাসিনা এলে দেশে আবারও রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। তিনি কাউকে বাঁচতে দেবেন না।’
তিনি আরো বলছেন, সংগত ন্যায়বিচার আওয়ামী লীগের আমলে কেউ করেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে কোন আদালত বা বিচারক ন্যায় বিচার করেননি। যদি কেউ বিচার করার চেষ্টা করতেন, তাহলে তার গুম হওয়ার সম্ভাবনা থাকত এবং তাকে প্রাণের ভয়ে দেশের বাইরে পালাতে হতো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন