প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাতিজি বৃষ্টি মুখার্জির মৃত্যু রহস্যজনকভাবে ঘটেছে। বীরভূম জেলার নিজ বাড়ির দোতালায় উদ্ধার হয়েছে মমতা ব্যানার্জির ভাতিজির ঝুলন্ত মরদেহ।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে বীরভূমের রামপুরহাট থানার কুসুম্বা গ্রামে নিজের বাড়ির দোতলায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় বৃষ্টি মুখার্জির মৃতদেহ। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখার্জীর মেয়ে। উল্লেখ্য, রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামারবাড়ি অবস্থিত। নীহার মুখোপাধ্যায় রামপুরহাটের ১ নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। আজ সকাল নয়টার দিকে তার বাড়ির দোতলার ঘর থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তার আত্মহত্যার নিশ্চিত কারণ এখনও জানা যায়নি।
বৃষ্টি মুখার্জির বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির কারণে গ্রুপ সি-র চাকরি হারিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু হওয়ার পর বৃষ্টি মুখার্জির নাম উঠে আসে।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উপস্থাপিত প্রমাণ অনুযায়ী, গ্রুপ সি পরীক্ষার ওএমআর শিটে ৯০ শতাংশ গরমিল ছিল। অর্থাৎ, কারচুপি করে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে চাকরি দেওয়া হয়েছে অনেককে। তদন্তে বৃষ্টির নাম উঠে আসার পর আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাকরি হারান তিনি।
সম্প্রতি, বৃষ্টির স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং তার চিকিৎসা চলছিল। তিনি প্রায় সময় একা থাকতেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খুব কম কথা বলতেন।
বৃষ্টিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হলে, রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা আত্মহত্যা। রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছে। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন