প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান থেকেও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার নিমতলা রেলস্টেশন এলাকা ও সিরাজদখান-গুডাউন বাজার সড়কের লতব্দী ইউনিয়নের ভিটিগাঁও গোয়ালপাড়া থেকে ওই দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে রেললাইনের পাশে একটি যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসীরা স্থানীয় থানায় খবর দেন। এরপর ঢাকা রেল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
রেল পুলিশের এসআই মো. কাইয়ুম আলী জানান, 'মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি রেলে কাটা পড়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর রিপোর্ট এলে সঠিক কারণ জানা যাবে।'
অপরদিকে, উপজেলার সিরাজদখান-গুডাউন বাজার সড়কের লতব্দী ইউনিয়নের ভিটিগাঁও গোয়ালপাড়া এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে পুলিশ নুরুল ইসলাম (৬৫) নামের এক অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার করে।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় স্থানীয়রা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত নুরুল ইসলাম সিরাজদীখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের চরগুলগলিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান থানার পরিদর্শক তদন্ত মো. হাবিবুর রহমান জানান, দুপুরে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের হাসাড়া এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় নুরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। এ সময় তার অটোটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, গুরুতর আহত নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে অজ্ঞাত ব্যক্তি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে, পথেই তিনি মারা যান। তাই ঝামেলা এড়াতে মরদেহটি রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। বর্তমানে মরদেহটি থানায় রয়েছে।
নিহত অটোচালক নুরুল ইসলামের ভাগিনা মো. শাহীন বলেন, 'আমরা ধারণা করছি, যে গাড়িটি আমার মামাকে দুর্ঘটনায় আহত করেছে, তাদেরাই হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিল। পথেই মামা মারা গেলে, মরদেহটি রাস্তায় ফেলে যান তারা।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন