প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছর মার্কিন-ইসরাইলি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের বিরুদ্ধে ইরানি সাইবার হামলার সংখ্যা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে ইসরাইলের ওপর।
সোমবার ইসরাইলের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
ইসরাইলের ন্যাশনাল সাইবার ডিরেক্টরেটের ডিরেক্টর জেনারেল ইয়োসি কারাদি, জার্মান সংবাদপত্র 'ডাই ওয়েল্ট'-কে জানিয়েছেন যে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের সময় দেশটির কর্তৃপক্ষ প্রায় ১ হাজার ৬০০টি বৈরী সাইবার আক্রমণ বা ঘটনা নথিভুক্ত করেছিল।
তিনি ওই পত্রিকাকে আরো বলেছেন, ২০২৬ সালের একই মাসে এই সাইবার হামলার সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে প্রায় ৪ হাজার ৮০০-এ পৌঁছেছে।
জার্মান ভাষায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে কারাদি বর্ণনা করেন, ‘কিছু গ্রুপ বা দল সাইবার হামলায় অত্যন্ত দক্ষ। আমরা তাদের মোকাবিলা করতে পারি, তবে আমাদের বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে। প্রচলিত বা বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের মতো সাইবার জগতে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই।’
কারাদি জানান, এই সাইবার হামলাগুলো ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, কেন্দ্রীয় সংস্থা, ছোট ও মাঝারি আকারের কোম্পানি এবং জনগণের ব্যবহৃত সিস্টেমগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। ছোট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইন বিষয়ক এবং অ্যাকাউন্টিং বা হিসাবরক্ষণ ফার্মগুলো আক্রান্ত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এবং আশা করি পরিস্থিতি এমনই থাকবে, আমরা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো খাতের ওপর চালানো সাইবার হামলাগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছি।’
কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, যেসব কোম্পানির সিস্টেমে সহজে প্রবেশ করা বা হ্যাক করা সম্ভব ছিল, সেইসব কোম্পানির কম্পিউটার সিস্টেমের ডেটা বা তথ্য পুরোপুরি মুছে দেওয়া হয়েছে।
ইরান সাধারণত অন্য দেশের বিরুদ্ধে হ্যাকিং অভিযান বা সাইবার হামলা চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করে থাকে। একই সাথে তারা নিজেদের ওপর সাইবার হামলা চালানো হচ্ছে বলেও রিপোর্ট করে থাকে।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন