প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) বহরে নতুন করে ১৬৭টি গাড়ি যুক্ত হতে যাচ্ছে। এসব গাড়ি কেনার জন্য ব্যয় হবে প্রায় ১২০ কোটি টাকা।
র্যাবের আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ থেকে গাড়িগুলো কেনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।
প্রস্তাবিত গাড়িগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, ৫০টি প্যাট্রল পিকআপ, ৪৪টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস, ৫০টি প্যাট্রল কার, তিনটি ডগ ভ্যান, ১০টি ট্রাক, তিনটি জিপ, দুটি রিকভারি ভেহিকল, একটি মোবাইল ওয়ার্কশপ ভেহিকল এবং চারটি রায়ট ভ্যান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই র্যাব ফোর্সেসের ‘আভিযানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জাহিদুল করিমের স্বাক্ষরিত চিঠিতে ১৬৭টি গাড়ি কেনার বিস্তারিত চাহিদাপত্র পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২ আগস্ট পুলিশ সদর দপ্তর গাড়িগুলো কেনার সুপারিশসহ প্রস্তাবটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। পরে ১৯ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগের কাছে গাড়ি কেনার জন্য অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন চায়।
এদিকে সরকার র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি, তাই সরকারি নথিতে এলিট ফোর্সটির নাম র্যাব হিসেবেই উল্লেখ করা হচ্ছে।
এর আগে গত মে মাসে র্যাবের জন্য ১৬৩টি গাড়ি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন