প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পাল্টা আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বেইজিং, যা ইরানের সঙ্গে তেল বাণিজ্যে জড়িত পাঁচটি চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর প্রযোজ্য। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি ‘ব্লকিং অর্ডার’ জারি করে এ বিষয়ে ঘোষণা করেছে, যা নির্দেশ করে যে, এসব মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কোনো বৈধতা চীনে থাকবে না।
সিনহুয়া সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটনের নিষেধাজ্ঞা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে, যা বেইজিংয়ের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের আইনের ‘বহির্দেশীয় প্রয়োগ’ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল, শানডং শৌগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল, শানডং জিনচেং পেট্রোকেমিক্যাল গ্রুপ, হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ এবং শানডং শেংশিং কেমিক্যাল।
যুক্তরাষ্ট্র এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কারণ তারা ইরানের সঙ্গে তেল লেনদেনে জড়িত ছিল। এর ফলে তাদের সম্পদ জব্দ করা হয়েছে এবং মার্কিন সংশ্লিষ্ট লেনদেনে নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। চীনা কোম্পানি ও নাগরিকদের বৈধ অধিকার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষায় এই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চীনের স্বাধীন ‘টিপট’ শোধনাগারগুলো ইরানের তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের তেল বাণিজ্য নিয়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের বিরোধ আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
চীনের দাবি, নির্দিষ্ট মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে দেশটির ‘ব্লকিং অর্ডার’ ব্যবহারের ঘটনা এটিই প্রথম। ফলে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ হলো।
সূত্র:
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন